স্রোতের বিপরীতে

আসলে মামদানি যখন ইউনিয়নের অধিকার, সাম্যের লড়াই, শিক্ষাব্যবস্থায় খরচ কমানোর কথা বলেন তখন নিউইয়র্কবাসী বামপন্থী না হয়েও অনেকাংশে তাঁর চিন্তার সাথে একাত্মবোধ করে। নিউইয়র্ক টাইমসের কড়া সমালোচনা হোক কী অ্যান্ড্রু কুওমোর ডলার, কোনোটাই যার সামনে ধোপে টেকে না। বোঝা যায়, বামপন্থী রাজনীতির সারসত্যকে গ্রহণ করে জনগণের সমস্যাকে কাছ থেকে বুঝেছেন জোহরান। সেই উপলব্ধিকে লড়াইয়ের হাতিয়ার করে এগিয়ে চলেছেন নিউইয়র্কের প্রথম দক্ষিণ-এশীয় মেয়র হওয়ার লক্ষ্যে।