শান্তির নেপথ্যে

আজ যদি মারিয়া কোরিনা নির্বাচন জিতে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তাঁর ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ হবে। তিনিও ক্ষমতার একটি অংশ হবেন মাত্র। খুব বেশি হলে তৈলখনির বিপুল ভাণ্ডার উন্মুক্ত হবে আমেরিকার জন্য। কিন্তু যারা ক্রমাগত ইজরায়েলের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াই করছে, ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে তাদের ব্যক্তিস্বার্থ কী? প্রতিনিয়ত স্কুলে, কলেজে, ফুটবল মাঠে, রাস্তায়, রাজনৈতিক ময়দানে বাধার মুখে পড়ছে… নিগৃহীত হচ্ছে। বিপুল ক্ষমতাশালী আরব দেশগুলি, যারা বিশ্বব্যাপী ইসলামের জয়ধ্বজা ওড়ানোর বার্তা দেয়, তারাও এই জেনোসাইডের বিপরীতে ‘সিমাঘ’ কিংবা ইগলের বাঁধনে চোখ ঢেকেছে। শুধু লড়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর সেই নেতানিয়াহুর নরসংহারেরই সিমপ্যাথাইজার নোবেল ‘শান্তি’ পুরস্কারজয়ী মাচাদো। সত্য সেলুকাস কী বিচিত্র এই মানবজাতি।