swastikchowdhury.com

বুকে বারুদ ভরা এক দেশ

‘১৯৬৩ থেকে ১৯৭৩। কলকাতার আকাশে বাতাসে তখনও বারুদের গন্ধ। প্রায় ৭০০০ মাইল দূরের এক দ্বীপে মানুষ আঁকছে স্বাধীনতার স্বাক্ষর। বারবার গেরিলা আক্রমণের মুখে খানিক দিশেহারা কুলীন ঔপনিবেশিক পর্তুগিজরা। নেতৃত্বে অ্যামিলকার ক্যাব্রাল। একদিকে ভাঙছেন পরাধীনতার শৃঙ্খল, অন্যদিকে মানুষকে বলছেন পড়তে, জানতে, বদলাতে। গুলে খাচ্ছেন মার্ক্সবাদ। সাক্ষাৎ করছেন কাস্ত্রোর সাথে। বারবার আহ্বান জানাচ্ছেন দেশের নারীদের, এগিয়ে দিচ্ছেন মাতৃভূমি মুক্তির লড়াইতে। আবার পৌঁছে যাচ্ছেন মাঠে-আবাদি জমিতে। নিজের সৈন্যদের খাদ্যের জোগান ও ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে শেখাচ্ছেন উন্নত চাষ-আবাদের কৌশল। যদিও স্বাধীন জন্মভূমি দেখে যেতে পারেননি অ্যামিলকার। মেশিনগানের বুলেট ছিন্নভিন্ন করে দেয় তাঁর নশ্বর দেহ। দশক পেরিয়ে যুগের অবসান হয়। একদিন স্বাধীন হয় কেপ ভার্দে। কত জল বয়ে যায় নাইজার কিংবা কঙ্গোর বুক চিড়ে। মানুষ তবু ভোলে না কিছু প্রতিকৃতি। শ্রমের ফসল হয়ে বেঁচে থাকে আগামীর হিম্মতে।’ কেপ ভার্দে, ৪৮ ঘন্টা কেটে গেলেও বেরোতে পারছি না যে বিস্ময় থেকে। সে দেশ নিয়েই কিছু কথা রইল আজকের আজকালের পাতায়….
Scroll to Top