দেশ জোড়ার কারিগর

‘তবু এই অচেনা ভারতবর্ষে উনি জেগেছিলেন। উনি নিতান্তই বোকা। পরখ করেননি আমূল বদল। তাই ৬৯ বছর বয়সেও আশা ছাড়েননি। রাষ্ট্রীয় লেঠেল বাহিনী বেপরোয়া ভাঙচুর চালিয়ে তাঁকে তুলে নিয়ে গেছে। আমরা তো সেই কবেই পড়ে নিলাম দেয়াললিখন, প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করলাম পুঁজি আর বিশ্বায়নের অতিকায় ছায়া। স্যাক্রিফাইস আর কম্প্রোমাইজের স্যান্ডউইচে কাটিয়ে দিলাম গোটা একটা জীবন। কিন্তু তিনি ৬৯-এও ধরে রাখলেন আঠেরোর যৌবন। আঠারাে বছর বয়স কী দুঃসহ, স্পর্ধায় নেয় মাথা তােলবার ঝুঁকি! বিগত কুড়ি দিনে কত কুঁড়ি বিকশিত হয়? ব্যস্ত যন্তরমন্তর জানে। দীর্ঘ অবনতি শারীরিক অবস্থার। তবু ভরসা জোগায় এক অদম্য জেদ। ৮ কেজিরও বেশি ওজন কমেছে, কমেছে শরীরে শর্করার মাত্রা। ডাক্তাররাও খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছিলেন, আর তিনি তখনও বিশ্বাস রেখেছেন ক্ষমতাসীনদের কানে আর্তি পৌঁছে দেওয়ার। আমরা যদি এই আকালেও স্বপ্ন দেখি…’
আজ এই অসময়ে যে চরিত্র বারবার ভাবায়, মগজে প্রবল আঘাত করে, যে লেখা অবশ্য কর্তব্য…