প্রোপাগান্ডা ! এই তোমার অস্ত্র বিজেপি ?

তথ্য বলছে, পাকিস্তানের প্রাক্তন আইএসআই চিফ লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল আসাদ দুরানি পর্যন্ত বিবৃতি দেন, আইএসআই প্রথম থেকেই মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চেয়েছিল। এমনকী প্রাক্তন পাক-প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সাথে সাক্ষাৎ ও মোদীর লাহোর ভ্রমণের দৃশ্য ঘুনাক্ষরও স্থান পায়নি ধুরন্ধরে। সিনেমায় দেখানো হয় যারা এইমুহূর্তে মোদির বিরোধিতা করছে তারা ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘বিদেশীঅর্থপুষ্ট’। সেখানেও প্রকৃত সত্য পৃথক বাস্তব তুলে ধরে। ২০০২ সালে ফরেন এক্সচেঞ্জ অফ হেট্ বলে একটি রিপোর্ট সামনে আসে। যেখানে স্পষ্টত উল্লেখ রয়েছে আইডিআরএফ নামক একটি মার্কিন সংস্থা আমেরিকান প্রদাতাদের অর্থ সরাসরি আরএসএসকে ফান্ড করছে। এছাড়াও ২০০১-১২ সালের মধ্যে ৪টিরও বেশি মার্কিন চ্যারিটি সংস্থা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সাথে যুক্ত বেশ কিছু সংগঠনকে ৫৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ প্রদান করে।
সিনেমায় প্রোপাগান্ডার বাড়বড়ন্ত প্রসঙ্গে একটি লেখা রইল আজকালের পাতায়…