যুদ্ধবিদ্ধস্ত কঙ্গোর একটুকরো এলডোরাডো হোক ফুটবল!

‘পূর্ব কঙ্গো কয়েক দশক ধরে একের পর এক যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছে। তবু লেপার্ডসরা খেলতে নামলে গোটা দেশ জুড়ে ফুটে ওঠে একটাই মানচিত্র। পর্তুগালের সাথে ড্র করার পর রাজধানী কিনশাসার পাশাপাশি বিস্তীর্ণ অঞ্চল সামিল হয়েছিল উৎসবে। উদযাপনের ঢেউ গিয়ে মিশেছিল কাতাঙ্গা অঞ্চলের লুবুম্বাশিতে, যা বহু সময় ধরে পরিচিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ডেরা হিসাবে। উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে জয় মিলিয়ে দিয়েছিল অশান্ত গোমা ও বুকাবুকে। ফুটবল এক অদ্ভুত বিস্ময়, যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশে শান্তির আশ্রয় হয়ে বেঁচে থাকে দিব্যি। বহু সরকারি প্রয়াস, আন্তর্জাতিক শক্তি যা পারে না, ফুটবল তা পারে। বুক ঠুকে পারে, ‘বেশ করেছি’র রোয়াবে পারে, সব হারিয়েও কলার তোলা ঔদ্ধত্ব্যে পারে, একমাত্র ফুটবলই পারে। পারে জাতির পরিচয় ও আশ্বাসের প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকতে।’
কঙ্গোর বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে দু’চার কথা ইনস্ক্রিপ্টে…